বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সারাদেশে ১০টি অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন জাতিসংঘ অধিবেশনের উদ্বোধনী সেশনে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগ বাতিল খালের পাড়ে মিলল বৃদ্ধের লাশ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার রুল জারি ১৮ অক্টোবর সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল দিবস পালনের নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক নেতাদের বৈঠক চট্টগ্রামে মাদ্রাসার ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে আটক ৪ চট্টগ্রামে কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি কোম্পানি চট্টগ্রাম কক্সবাজারগামী বাসে সন্তান জন্ম দিলেন এক নারী

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জয় টাইগারদের

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৩১; প্রতিরোধ গড়া যায় এমন কোনো সংগ্রহ বলা যায় না। তবুও মিরপুরে উইকেটে কোনো রানই ছোট না; বোলিংয়ে বাংলাদেশ সেটাই প্রমাণ করেছে। বোলাররা সবাই কাজ করেছেন নিজেরটা। শেষ অবধি অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টিতে হারালো বাংলাদেশ। ২৩ রানের জয় পেল টাইগাররা। চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নাসুম আহমেদ।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে মিচেল স্টার্কের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে নিজের ও দলের রানের খাতা খোলেন নাঈম শেখ। ওই ওভারে আর কোনো রান দেননি স্টার্ক। পরের ওভারে হ্যাজেলউড দেন ২ রান। তৃতীয় ওভারেই জাম্পাকে দিয়ে স্পিন আক্রমণ শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিলেন সৌম্য সরকার। চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে তাকে বোল্ড করে দেন জস হ্যাজেলউড। শরীর বরাবর আসা বলটি ৯ বলে ২ রান করা সৌম্যর ব্যাট ছুঁয়ে স্টাম্পে গিয়ে লাগে।

পঞ্চম ওভারে আবার স্টার্ক আসেন বোলিংয়ে। আবারও তার ওভারের দ্বিতীয় বলে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকান নাঈম। এবার বল গিয়ে পড়ে গ্যালারিতে। অস্ট্রেলিয়ার জৈব সুরক্ষার শর্ত অনুযায়ী সেই বল আর ব্যবহৃত হয়নি। নতুন বল দিয়ে খেলা শুরু হয়। উইকেটে সেট হয়ে যাওয়া নাঈমকে থামান জাম্পা। তার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান ২৯ বলে ২ চার ২ ছক্কায় ৩০ রান করা নাঈম। ৭ম ওভারে দলীয় ৩৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন দুই সিনিয়র সাকিব আর মাহমুদউল্লাহ। মাঝে অ্যাস্টন আগারের বলে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ ছাড়েন টার্নার।

সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর জুটিতে রান আসে ৩১ বলে ৩৬। এই জুটি ভাঙে মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে। ১৩তম ওভারে হ্যাজেলউডের বলে ম্যাট হেনরিকসের তালুবন্দি হন ২০ বলে ১ ছক্কায় ২০ রান করা মাহমুদউল্লাহ। এরপর নুরুল হাসান (৩) অ্যান্ড্রু টাইয়ের বলে দ্রুত বিদায় নেন। ১৭তম ওভারের শেষ বলে বিদায় নেন সাকিবও। হ্যাজেলউডের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ বলে ৩৬ রান। ইনিংসটি ৩টি চারে সাজানো।

সাকিবের বিদায়ের পরের ওভারেই মিচেল স্টার্কের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তরুণ শামিম হোসেন (৪)। এরপর স্টার্কের করা ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৭ বলে ২৩ রান করেন আফিফ হোসেন। ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী হাসান।

১৩১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বসেন অজিরা। একের পর এক ব্যাটসম্যান যখন ফিরছিলেন সাজঘরে। তখন অস্ট্রেলিয়ার জন্য আশার প্রদীপ হয়ে জ্বলছিলেন মিচেল মার্শ। তিনি সাজঘরে ফিরলেন নাসুমের ওভারে শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত ক্যাচে। তার আগে ৪৫ বলে করলেন ৪৫ রান।

এর আগে ম্যাথু ওয়েড ফিরেছিলেন নাসুমের লেগ স্টাম্পের এক হাত বাইরের বলে। আর অ্যাগার তো ফিরলেন একেবারে হিট উইকেট হয়ে।

২০ ওভার শেষে সব উইকেট হারিয়ে অজিদের সংগ্রহ ১০৮। ফলে ২৩ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেইজ