শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২০ ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : সন্ধ্যা ৬:০৬

আমদানিতে ৭৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আবুল খায়ের গ্রুপের


প্রকাশের সময় :৩০ জুলাই, ২০২০ ৯:১০ : অপরাহ্ণ

সিএসপি নিউজ : বিদেশ থেকে শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে (২০১৯-২০) সাড়ে সাতশ’ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ। স্টিল, রড, সিমেন্ট, ঢেউটিন, টোব্যাকো, গুঁড়োদুধ, চা পাতা, সিরামিকসহ বিভিন্ন ধরনের কারখানা রয়েছে এ শিল্পগ্রুপের।

দেশের সবচেয়ে বড় রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে এককভাবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অয়েল গ্যাস অ্যান্ড মিনারেল। এরপর পদ্মা অয়েল কোম্পানি, মেঘনা অয়েল কোম্পানি, যমুনা অয়েল কোম্পানি, ইস্টার্ন রিফাইনারি, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ আমদানি খাতে রাজস্ব দিয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। বৈশ্বিক মহামারী করোনার মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার ফখরুল আলম  বলেন, আমদানি খাতে রাজস্ব আদায়ের দিক থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানই শীর্ষ রয়েছে। মূলত জ্বালানি পণ্য আমদানি থেকে সিংহভাগ রাজস্ব আদায় হয়। বেসরকারি খাতে বড় শিল্পগ্রুপ থেকে বেশি রাজস্ব আহরণ হয় কারণ তাদের আমদানি বেশি। যারা আমদানি নীতি, কাস্টমস আইন মেনে আমদানি করে তাদের আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করি। এটা আমাদের দায়িত্ব। আবার যারা মিথ্যা ঘোষণা, শুল্কফাঁকি, চোরাচালান, মানি লন্ডারিংয়ের চেষ্টা করে তাদের শাস্তি ও জরিমানা করে থাকি।
চিটাগাং কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বাংলানিউজকে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বড় শিল্পগ্রুপগুলোর অবদান বেশি। তারা বেশি কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও ফিনিশড গুডস আমদানি করে থাকে। মূলধনী যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ও কাঁচামালের ৩৭ শতাংশ শুল্ক। তৈরি পণ্য ৫৭ শতাংশ আর বিলাসী পণ্যের শুল্ক ৫৫০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি। এখন কাস্টম হাউসের শীর্ষ রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা করলে নিঃসন্দেহে বড় শিল্পগ্রুপগুলোর নামই আসবে। তারা সুনামের সঙ্গে সরকারের প্রাপ্য শুল্ককরাদি জমা দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অগ্রগতি ও কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. মইনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপের মধ্যে আবুল খায়ের গ্রুপ অন্যতম। তারা ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হয়ে উঠেছে। ব্যাংকের ঋণ সহায়তাগুলো তারা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে। তাদের বড় হওয়ার প্রক্রিয়াটা অতি দ্রুত এবং দিন দিন ত্বরান্বিত হচ্ছে।