সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সময় : সকাল ৬:৩২

উন্নয়নের প্রধান পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নিশ্চিত করেছেনঃভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার


প্রকাশের সময় :৩ মার্চ, ২০২১ ৯:১২ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী বলেছেন, উন্নয়নের প্রধান পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নিশ্চিত করেছেন বলেই বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। আজ ৩ মার্চ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনে চসিক মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাতকালে শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরাগান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সবধরনের সহযোগিতা করায় ভারতের অনেকেই এবং বিদেশী কোন কোন রাষ্ট্র সমালোচনা করেছিল। এই ভূমিকাকে যারা ঝুঁকিপুর্ণ বলে মন্তব্য করেছিলো স্বাধীনতার পর তৎকালীন পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষও বলেছিল তারা বোঝামুক্ত। আর এখন পাকিস্তানে অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তা থেকে পাকিস্তানের অনেক কিছু শেখার আছে। কারণ বাংলাদেশ এখন উদীয়মান ব্যাঘ্র।

তিনি ওষুধ শিল্প, তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণ শিল্প খাতে বাংলাদেশ বেশ ভাল অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করে বলেন, ক্রম বিকাশমান এই খাতগুলো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধিতে গতিশীলতা এনেছে। পর্যটন শিল্প বিকাশে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প দৃশ্যমান। এই খাতে ধারাবাহিক উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত ও সমৃদ্ধ করবে।

মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ও অবদানের জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং অশেষ ঋণ স্বীকার করি। একাত্তরে ভারত আমাদের দেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিলে। তাদের সেনা বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও জওয়ান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। এই ঋণ কোন দিন শোধ হবে না।

তিনি আরো বলেন, যারা একসময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে মন্দবাক্য উচ্চারণ করেছিল তারা এখন বাংলাদেশের নজীর বিহীন উন্নতি দেখে লজ্জা পায় এবং তারা স্বীকার করে যে, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের চট্টগ্রাম বন্দরের বহমুখী ব্যবহারের মতামতের সাথে সহমত প্রকাশ করে বলেন, আমি দৃঢ় ভাবে মনে করি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে রিজিওনাল ও ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টি ভিটির সংযুক্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

তিনি আরো বলেন, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন পরিকল্পিত ভাবে করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামে যে মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ চলছে। সে কারনে প্রকল্পের আওতায় খালের কোন কোন স্থানে বাঁধ দেয়ার পানি জমে আছে। এ জন্য মশা প্রজনন হচ্ছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মশার উপদ্রব অনেক লাঘব হবে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।

 

সিএসপি/কেসিবি /৯ঃ০৬পিএম

ট্যাগ :