শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০ ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : সকাল ৮:১৪

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট


প্রকাশের সময় :১৯ জুলাই, ২০২০ ৬:২১ : অপরাহ্ণ

সিএসপি নিউজ : চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রতিবেদন আকারে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১২ আগস্ট মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (১৮ জুলাই) বিচারপতি জেবিএম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ  হুমায়ূন পল্লব এবং তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার।  রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল আলম।
শুনানিতে ব্যারিস্টার পল্লব আদালতকে বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা হচ্ছে না। সারাদেশে বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা বর্জ্য খোলা মাঠে বা খোলা জায়গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। লোকজন সেগুলোকে সংগ্রহ করার কারণে তাদেরও করোনা ইনফেকশন থেকে শুরু করে অন্যান্য সংক্রমণ ঘটতে পারে। তাই চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালা বাস্তবায়ন দরকার।’
এর আগে গত ১২ জুলাই  চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু সে নোটিশের কোনও জবাব না পেয়ে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আনিকা আলী এবং মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের  পক্ষে ব্যারিস্টার মো. হুমায়ূন কবির পল্লব ১৪ জুলাই এই রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ গঠন,  চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ, প্যাকেটজাতকরণ, পরিবহন ও মজুত,  চিকিৎসা বর্জ্য বিনষ্টকরণ এলাকা নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসা বর্জ্য পরিশোধন,  বিশোধন, অপসারণ এবং ভস্মীকরণ করার নির্দেশনা চাওয়া হয়
রিটে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব,  স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য বিভাগীয় মহাপরিচালক এবং সব সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ১৬ জনকে বিবাদী করা হয়।