শনিবার, ৩ এপ্রিল ২০২১, ২০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : বিকাল ৩:৩৭

শিরোনাম

ট্রেনে দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্কতা জারি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ


প্রকাশের সময় :১২ ডিসেম্বর, ২০২০ ৮:৪৬ : অপরাহ্ণ
সিএসপি নিউজ : কুয়াশার কারণে ট্রেনে দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ইমারজেন্সি সেল গঠন করার পাশাপাশি চালক, গার্ড ও স্টেশন মাস্টারসহ পরিবহন বিভাগের কর্মীদের নির্দেশনার আলোকে ট্রেন পরিচালনার দাফতরিক আদেশ দিয়েছে পরিবহন বিভাগ।

ইমারজেন্সি সেলের মধ্যে জোনাল কন্ট্রোল ও বিভাগীয় কন্ট্রোল রয়েছে। রাতে প্রতিটি আপ ও ডাউন ট্রেনের ইঞ্জিনে দায়িত্ব পালন করছেন একজন করে সিনিয়র চালক।
এছাড়া প্রতিটি স্টেশনে এখন দেওয়া হয়েছে ৩ জন করে স্টেশন মাস্টার। রাতের ট্রেন চলাচল নিরাপদ করতে পাহাড়তলী কন্ট্রোলে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোলারদের সঙ্গে থাকবেন একজন করে সহকারী পরিবহন কর্মকর্তাও।
রাতে দুইদিক থেকে আসা ট্রেনের মুখোমুখি ক্রসিং পরিহার করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশনায়। ট্রেন ক্রসিং করার সময় দুই ট্রেনের চালক গার্ড ও তিনটি স্টেশন মাস্টারের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ ট্রেন ক্রসিং করার সময় যে স্টেশনে ক্রসিং হবে ওই স্টেশন মাস্টার, আগের স্টেশনের মাস্টার এবং পরের স্টেশন মাস্টারের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।
ক্রসিং করার আগে তারা সমন্বয় করছে কি-না তা আবার কন্ট্রোল থেকেও নিশ্চিত করা হচ্ছে। রেলভবনের নির্দেশনায় যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রাখতে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং করছেন একজন সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা।
কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে সিগন্যাল দেখা না গেলে সংশ্লিষ্ট জিআর/এসআর অনুযায়ী ওপিটি/২৭ ইস্যু করতে হবে। এলএম ও এএলএমদের সাধারণ রুল ৬, ৭৪, ১২২, ১২৩ ও আনুষঙ্গিক রুল ১২৩-এর ধারা অনুসরণ করতে হবে।
রেলভবন থেকে নির্দেশনা আসার পর পূর্বাঞ্চলের পরিবহন বিভাগ  তা অনুসরণ করছে। অবশ্য রেলভবনের নির্দেশনা আসার আগে থেকেই কুয়াশায় দুর্ঘটনা রোধে ইমারজেন্সি সেল গঠন করা হয়েছে।
পাহাড়তলী কন্ট্রোলের এক কর্মকর্তা জানান, সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করায় এখন পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। তবে কুয়াশার কারণে ট্রেন একটু সাবধানে চলায় গন্তব্যে পৌঁছতে ১০-১৫ মিনিট সময় বেশি লাগছে। শিডিউল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেনি।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা স্নেহাশীষ দাশ গুপ্ত বলেন, প্রতি শিফটে একজন ৮ ঘণ্টা করে মোট তিনজন ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। জোনাল এবং বিভাগীয় কন্ট্রোল এ সিস্টেমে এখন চলছে। আমরা ভোর থেকে রাত পর্যন্ত সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। সবাই  আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে  অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যাবে।