রোববার, ৪ এপ্রিল ২০২১, ২১শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : রাত ২:১২

শিরোনাম

নগরীতে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু


প্রকাশের সময় :১৫ মার্চ, ২০২১ ৬:৫৭ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেছেন, মাস্ক পরিধান না করা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব না মানার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৩ মার্চ শনিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রী পরিষদের একটি সভার সিদ্ধান্তের আলোকে দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় চট্টগ্রামেও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরো বেগবান করতে আজ সোমবার ১৫ মার্চ থেকে নগরীতে জেলা প্রশাসনের ৬ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬টি মোবাইল কোর্ট টিম মাঠে নেমেছে। আজকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতার পাশাপাশি মাস্ক ও বিতরণ করা হয়।

আজ থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর পাশাপাশি প্রত্যেক উপজেলায় অভিযান চলমান থাকবে। অভিযান চলবে একটানা ৭ দিন। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির কারণে অভিযানের প্রথম কয়েকদিন কোন ধরণের জরিমানা বা শাস্তি দেয়া হবেনা। সচেতন না হলে পরে জরিমানা করা হবে। সর্বত্র মাইকিং করে মানুষকে জানান দেয়া হচ্ছে। অভিযান চলাকালে যাদের কাছে মাস্ক থাকবেনা তাদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক দেয়া হবে। এর পরেও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনের আওতায় আনা হবে। সকলের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সফল হবো।

আজ ১৫ মার্চ ২০২১ ইংরেজি সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় করোনা মোকাবিলায় সর্বত্র মাস্ক পরিধান নিশ্চিতসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনার ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে প্রথম দিকে তেমন সাড়া না পড়লেও সকল সরকারী অফিসের সামনে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের রেজিস্ট্রেশন বুথ খোলা ও বয়স কমানোর কারণে এ কার্যক্রম বেগবান হয়েছে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর মানুষের ভয় কেটে গেছে। তারা মনে করেছে আর কোভিড হবেনা। কিন্তু অবহেলা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেছে। করোনা মোকাবিলায় মাস্ক পরিধান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার ও সামজিক দুরত্ব বজায় রেখে ক্লাব, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হলগুলোতে সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। এ জন্য ১১৩টি প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়ে তাদেরকে অবহিত করা হবে। অনুষ্ঠানাদিতে অতিরিক্ত জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। এ নির্দেশনা অমান্য করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ বদিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ স ম জামশেদ খোন্দকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোছাঃ সুমনী আক্তার, ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান, সুজন চন্দ্র রায়, উমর ফারুক প্রমূখ।

জেলা প্রশাসনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১৫ মার্চ সোমবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর বহদ্দার হাট এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান, আগ্রাবাদ মোড়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান, কোতোয়ালী ও নিউমার্কেট মোড়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক, আন্দরকিল্লা মোড়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা, চকবাজার মোড়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন এবং জিইসি মোড়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুরজাহান আক্তার সাথী সচেতনতামূলক মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

সিএস পি/কেসিবি/৬ঃ৪৮পিএম

ট্যাগ :