সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ ২৯শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : দুপুর ২:২৬

‘পতেঙ্গায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ ; তার উপর বসছে পশুর হাট।’ জনদূর্ভোগের আশঙ্কা !


প্রকাশের সময় :২৬ জুন, ২০২০ ১১:২২ : অপরাহ্ণ
নূর মোহাম্মদ শাওন:
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কোরবানীর ঈদ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিকল্পিত তিনটি পশুর হাট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। প্রয়োজনীয় জায়গা না থাকায় ও সড়কের পাশের এসব হাটের কারণে সামাজিক দূরত্ব ব্যাহত ও ভয়াবহ যানজটের আশঙ্কা করেই এ আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ।
গত ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) নগর উপ-কমিশনার (বিশেষ শাখা) মো. আব্দুল ওয়ারিশ খান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ আপত্তি তুলে এসব অস্থায়ী হাটের অনুমতি না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে এবার সাতটি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে। হাটগুলো হচ্ছে- সল্টগোলা রেলক্রসিং, স্টিলমিল, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, নূরনগর হাউজিং, কমল মহাজন হাট, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে টিকে গ্রুপের মাঠ এবং বড়পোল মাঠ। এর মধ্যে স্টিল মিল, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং বড়পোলে বন্দর কর্তৃপক্ষের খালি জায়গায় পশুর হাট বসানো নিয়ে সিএমপির আপত্তি আছে।
এর মধ্যে দুইটি পশুরহাটের অবস্থান পতেঙ্গা থানাধীন এলাকায় হওয়ায় , পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি উৎপল বড়ুয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি চট্টগ্রাম সংবাদ প্রতিদিনকে বলেন, পতেঙ্গায় অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সড়কের ৫০ শতাংশে বেস্টনি দিয়ে নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশে যদি কোরবানির পশু রাখা হয় তাহলে সেই সড়ক দিয়ে আর যানবাহন চালানো যাবে না। এতে শহরে ভয়াবহ যানজট হবে। এছাড়া করোনায় সামাজিক দূরত্ব মানাও সম্ভব হবে না।থানার পক্ষ থেকেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কতৃপক্ষের কাছে পশুর হাট না বসানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অপরদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবার যে সাতটি স্থানে কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসানোর জন্য ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলো হচ্ছে সল্টগোলা রেলক্রসিং, স্টিলমিল, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কর্ণফুলী নতুন ব্রিজ, কমল মহাজন হাট, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে টিকে গ্রুপের মাঠ এবং বড়পোল বন্দর মাঠ। গত বছর ছয়টি হাট বসলেও এবার বাড়ছে আরও একটি— বড়পোল বন্দর মাঠ।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ইতিমধ্যে সাতটি স্থানে ইজারার প্রাথমিক অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে। জেলা প্রশাসকের সবুজ সংকেত পেলেই ইজারা দেওয়া হবে ওই সাত স্থান।