বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চট্টগ্রাম কলেজে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৭ জন আহত ছিনতাইসহ ৫ মামলার আসামি আটক বায়েজিদ থেকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ লোহাগাড়ায় দুর্যোগ বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত দুর্নীতি করে যারা দেশ-বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন তারা কেউই পার পাবে না ওবায়দুল কাদের সুন্দরবনে আয়তন বাড়াতে কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ সৃষ্টির উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর মা-মেয়ে নিখোঁজের ২২দিন, স্বামী আতাউল্লাহ’র সন্দেহের তীর পরকীয়াই পলায়ন পাকস্থলী করে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে ও শেষ রক্ষা হল না আধুনিক জগতের সঙ্গে তালমিলিয়ে আমাদের এসএসএফ প্রশিক্ষণ ও দক্ষ বৃদ্ধি হবে প্রধানমন্ত্রী দুধের ব্যবসার আড়ালে করতেন ইয়াবা ব্যবসা দুধ জসিম

বাংলাদেশের পাসপোর্ট এর যত রং!

সিএসপি নিউজ:

বাংলাদেশে বর্তমানে তিন রঙের পাসপোর্ট চালু আছে। এই তিনটি পাসপোর্টের ব্যবহার সম্পূর্ণ আলাদা। আসুন জেনে নেওয়া যাক কখন কোন রঙের পাসপোর্ট ব্যবহার হয় এবং কারা এইসব পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারেন।

২০১০ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব পাসপোর্ট হাতে লেখা ছিল। ২০১০ সালে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর নির্দেশনা অনুযায়ী মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি চালু করা হলে বিশেষ পাসপোর্ট বা কেবল ভারতে যাওয়ার পাসপোর্ট বিলুপ্ত করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের রঙ ভিন্ন ভিন্ন হয়। তবে যে দেশ যে রঙেরই পাসপোর্ট দিক না কেন, সেটা অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাও এর কাছ থেকে পাসপোর্ট এর রঙ আর নকশার ছাড়পত্র নিতে হয়। তবে সাধারণভাবে পৃথিবীতে লাল, নীল, সবুজ ও কালো এই চারটি রঙের ভিন্ন ভিন্ন শেড এর হয়।

বাংলাদেশে সাধারণভাবে সকলের জন্য সবুজ রঙের পাসপোর্ট চালু থাকলেও, দেশে আরো দুটি রঙ অর্থাৎ নীল এবং লাল পাসপোর্ট চালু রয়েছে।

চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কাদের জন্য কোন রঙের পাসপোর্ট

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক সাঈদ বলেছেন, সবুজ পাসপোর্টকে বলা হয় অর্ডিনারি পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সকল সাধারণ নাগরিক এবং সরকারি চাকরিজীবীর জন্য। এক্ষেত্রে জন্মসূত্রে এবং বৈবাহিক উভয় সূত্রে বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্য এই সবুজ পাসপোর্ট। সবুজ পাসপোর্টে বিদেশে গমনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার প্রয়োজন হয়।

নীল রঙের পাসপোর্টকে বলা হয় অফিসিয়াল পাসপোর্ট। সরকারি কাজে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে হলে এই অফিসিয়াল পাসপোর্ট ব্যবহার করা হয়। এই পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসের অনুমোদন বা গভর্নমেন্ট অর্ডার (জিও) প্রয়োজন হয়। এই নীল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা অন্তত ২৭টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে সরকারি কাজ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীরা যদি বিদেশ গমন করতে চান তাহলে তারা নীল পাসপোর্ট ব্যবহার করতে পারবেন না।

লাল পাসপোর্টকে বলা হয় ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভার সদস্যগণ, সংসদ সদস্য এবং তাদের স্পাউস অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রী। সেই সঙ্গে উচ্চতর আদালতের বিচারপতিগণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তারা লাল পাসপোর্ট পান। লাল পাসপোর্ট যাদের আছে, তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য কোনো ভিসা প্রয়োজন হয় না। তারা সংশ্লিষ্ট দেশে অবতরণের পর অন-অ্যারাইভাল ভিসা পান। ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সব দেশেই লাল রঙের হয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেইজ