শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

মা-মেয়ে নিখোঁজের ২২দিন, স্বামী আতাউল্লাহ’র সন্দেহের তীর পরকীয়াই পলায়ন

এম.এম.জাহিদ হাসান হৃদয়,(আনোয়ারা):

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ২২ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে স্ত্রী নামরিন নেছা আইরিন (২৫) ও মেয়ে আতাউন্নেছা আফিফা (৫) । তবে স্বামী’র সন্দেহের তীর পরকীয়াই পলায়িছে স্ত্রী নামরিন নেছা আইরিন। নিখোঁজ হওয়া মা-মেয়ে উপজেলার ৪ নং বটতলী ইউনিয়নের বখতিয়ার পাড়ার ছিরাবটতলী গ্রামের মোহাম্মদ আতাউল্লাহ’র স্ত্রী ও তার একমাত্র কন্যা এবং আইরিন একই গ্রামের পেয়ার আহমদ এর মেয়ে।

জানা যায়, গত ২৫ মে (মঙ্গলবার) দুপুর ২ টায় স্বামী আতাউল্লাহ’র কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে হাঁসি মুখে বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য তার মেয়ে আফিফাসহ বের হয় স্ত্রী আইরিন। তারপর সন্ধ্যায় আতাউল্লাহ স্ত্রীকে কল দিয়ে মোবাইল বন্ধ পেলে শশুর বাড়ির লোকদের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারে তার স্ত্রী-কন্যা তার শশুর বাড়িতে যায়নি। এরপর থেকে আত্নীয় স্বজন ও বিভিন্ন মহলে খোঁজ নিয়েও তাদের সন্ধান না পেয়ে গত ২৭ মে (বৃহস্পতিবার) আনোয়ারা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করে স্বামী আতাউল্লাহ।

স্ত্রী’র নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে আতাউল্লাহ জানান,আমাদের বিয়ের ৬ বছরে কোন ঝামেলা হয়নি। হাসি মুখে মা-মেয়ে আমার শশুর বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়েছিল কিন্তু আর ফিরেনি। আমার শশুর বাড়িতেও যায়নি।
স্ত্রী’র নিখোঁজের বিষয়ে আপনার কি মনে হচ্ছে? আপনার স্ত্রী’র সাথে অন্য কারো যোগাযোগ ছিলো বলে এই রকম কাউকে সন্দেহ হয়? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান,আমার একটা খালাতো ভাইয়ের সাথে আমার স্ত্রী’র কথাবার্তা হতো আমার স্ত্রী-কন্যা নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমার খালাতো ভাই ও গা ঢাকা দিয়েছে। তাই আমার ধারণা হচ্ছে আমার খালাতো ভাই মোহাম্মদ রাজু (৩০) আমার স্ত্রী-কন্যা কে নিয়ে গেছে।
আমি তাদের সন্ধান চাই। এই ব্যাপারে আনোয়ারা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেছি।

এই বিষয়ে আনোয়ারা থানার এসআই মোহাম্মদ নওফেল আলম বলেন,বিষয়টি আমরা তদন্ত করেছি। অভিযুক্ত আর নিখোঁজ হওয়া আইরিন আক্তারের কল লিস্ট আমরা বের করেছি। সর্বশেষ গত মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত তাদের মোবাইল সচল ছিলো যার লোকেশন ছিলো বটতলী ইউনিয়নের বখতিয়ার পাড়ার ছিরাবটতলী গ্রামে। সব মিলেয়ে এই বিষয়টা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে যে, খালাতো ভাই রাজু’র সাথেই তারা পালিয়ে গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেইজ