বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সময় : রাত ১:৩৫

মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছেন লোহাগাড়ার ১৮ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার


প্রকাশের সময় :২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২:১১ : অপরাহ্ণ

 

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় ৯ইউনিয়নে মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার জমিসহ নতুন ঘর পাচ্ছে ১৮ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। বর্তমানে ঘরগুলো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

২৩ জানুয়ারি শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৪৯২টি উপজেলায় যুক্ত হয়ে গৃহহীন-ভূমিহীনদের মুজিববর্ষের এ উপহার তুলে দেবেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গুচ্ছগ্রাম-২ (সিভিআরপি) প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপির আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট এই সেমিপাকা ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। যার প্রতিটি ঘরের জন্য সরকার বরাদ্দ রেখেছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।প্রতিটি বাড়িতে দুটি কক্ষ, সংযুক্ত রান্নাঘর, টয়লেট ও সামনে খোলা বারান্দা রয়েছে।স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি।

এখনই উল্লাসিত ও আনন্দিত আশ্রয়ন প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত হতদরিদ্র অসহায় পরিবারগুলো। নির্বাচিত হত দরিদ্র পরিবারের লোকেরা তারা বলেন, এতকাল আরেকজনের নোংরা বাসায় থাকছি, এখন নতুন ঘর পাচ্ছি, আনন্দ লাগছে অনেক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঘরগুলো সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ আহসান হাবীব জিতু ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম শাওন ভূঁইয়া।

লোহাগাড়া  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আহসান হাবীব জিতু বলেন, ঘরগুলোর নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার‘ এ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এ লক্ষ্যেই  লোহাগাড়ায়   সরকারি খাস জায়গার ওপর ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। যাদের কোনও ঘর ও জমি নেই, তাদের এখানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্বামী পরিত্যক্ত, প্রতিবন্ধীদের। প্রত্যেক পরিবারকে জমির মালিকানাসহ লিখে দেওয়া হচ্ছে দুই কক্ষের একটি বসতঘর।  তার সঙ্গে থাকছে রান্নাঘর, বাথরুম ও সামনে খোলা বারান্দা। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। এতে হতদরিদ্র সুবিধাভোগীরা দারুণ খুশি।

ট্যাগ :